SSD Nodes Learn Hosting plans →
নির্দেশিকা Matt Connorদ্বারা Matt Connor

BDIX VPS কী, আর কখন এটা আপনার কাজে লাগবে

BDIX পিয়ারিং মানে আপনার ট্রাফিক দেশের ভেতরেই থাকে। কোন কাজে BDIX VPS সত্যিই লাগে, কোথায় সাধারণ আন্তর্জাতিক VPS ভালো, আর কেনার আগে প্রোভাইডারকে কী কী জিজ্ঞাসা করবেন।

BDIX VPS আসলে কী

BDIX VPS হলো বাংলাদেশের ভেতরে রাখা একটা ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার, যার নেটওয়ার্ক BDIX-এ পিয়ার করা আছে। ভেতরের জিনিসপত্র আলাদা কিছু নয়: একই KVM হাইপারভাইজার, একই Ubuntu বা Debian ইমেজ, একই root অ্যাক্সেস, একই apt install। পার্থক্য শুধু নেটওয়ার্কের পথে। দেশের কোনো ISP-এর গ্রাহক এই সার্ভারে ঢুকলে তার প্যাকেট সিঙ্গাপুর বা ইউরোপ ঘুরে আসে না, দেশের ভেতরেই থেকে যায়।

তাই BDIX VPS আলাদা কোনো প্রযুক্তি নয়। এটা একটা নেটওয়ার্ক অবস্থান। সেই অবস্থানটা কিছু নির্দিষ্ট কাজের জন্য সত্যিই মূল্যবান, আর বাকি বেশির ভাগ কাজের জন্য নয়। কোনটা কোনটা, সেই সিদ্ধান্তটাই এই লেখার বিষয়। একটা VPS সাধারণভাবে কী দেয় সেটা যদি এখনো পরিষ্কার না থাকে, আগে একটা VPS আসলে আপনাকে কী দেয় দেখে নিন। এখানে শুধু BDIX অংশটুকুর হিসাব করা হচ্ছে।

BDIX জিনিসটা কী

BDIX (Bangladesh Internet Exchange) হলো একটা ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ পয়েন্ট, সংক্ষেপে IXP। কাজটা এক লাইনে বলা যায়: দেশের ISP (ইন্টারনেট সেবাদাতা) আর কনটেন্ট নেটওয়ার্কগুলো এক জায়গায় এসে নিজেদের মধ্যে সরাসরি ট্রাফিক বিনিময় করে। এক্সচেঞ্জ না থাকলে দুই স্থানীয় ISP-এর দুই গ্রাহকের মধ্যে ডেটা যেত আন্তর্জাতিক ট্রানজিট লিংক দিয়ে, অর্থাৎ দেশের বাইরের কোনো রাউটার ঘুরে।

সেই ঘুরপথ দুই দিক থেকে খরচের। প্যাকেটকে অনেক বেশি দূরত্ব পার হতে হয়, তাই RTT (রাউন্ড ট্রিপ টাইম, প্যাকেটের যাওয়া আর ফিরে আসার সময়) বাড়ে। আর ISP-কে ওই ট্রাফিকের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ কিনতে হয়, যেটা স্থানীয় পিয়ারিংয়ের চেয়ে অনেক দামি। এক্সচেঞ্জে পিয়ার করলে দুটোই কমে। আর এই দ্বিতীয়টা, অর্থাৎ খরচ, বাংলাদেশের বাজারে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

BDIX স্পিড আর আন্তর্জাতিক স্পিড কেন আলাদা

দেশে বাসার ব্রডব্যান্ড প্যাকেজগুলো অনেক দিন ধরে দুই রকম গতি আলাদা করে লেখে: একটা আন্তর্জাতিক ট্রাফিকের জন্য, আরেকটা BDIX জোনের ট্রাফিকের জন্য। কারণটা টেকনিক্যাল নয়, হিসাবের। ISP তার নিজের খরচের কাঠামোটাই গ্রাহকের প্যাকেজে তুলে দিয়েছে। যে ট্রাফিক তাকে আন্তর্জাতিক লিংক কিনে বহন করতে হয় সেটা দামি, তাই সেখানে গতি মেপে দেওয়া হয়। যে ট্রাফিক এক্সচেঞ্জ থেকে আসে সেটা তুলনায় সস্তা, তাই সেখানে উদার হওয়া যায়।

এই দামের পার্থক্যটাই BDIX VPS নামের ক্যাটাগরিটার আসল কারণ, কাঁচা গতি নয়। একজন স্থানীয় ব্যবহারকারীর কাছে আপনার সার্ভার BDIX জোনে থাকলে তার প্যাকেজের ভালো অর্ধেকটা কাজে লাগে, আর দেশের বাইরে থাকলে ছোট অর্ধেকটা। আপনার নিজের প্যাকেজে ঠিক কী লেখা আছে, কোন জোনে কত গতি, কোথায় ডেটা ক্যাপ আছে, সেটা ISP ভেদে আলাদা আর সময়ের সঙ্গে বদলায়। তাই সংখ্যাগুলো এই লেখা থেকে নেবেন না, নিজের চুক্তির পাতা বা ISP-এর বর্তমান প্যাকেজ তালিকা থেকে নিন। বিজ্ঞাপনে ব্যান্ডউইথ শব্দটা কীভাবে ব্যবহার হয়, সেটা আনমিটার্ড ব্যান্ডউইথ কথাটার আসল মানে দেখলে অনেকটা পরিষ্কার হয়।

কোন কাজে BDIX VPS সত্যিই দরকার

এক লাইনের নিয়ম: আপনার ব্যবহারকারীরা যদি প্রায় সবাই বাংলাদেশের ISP-এর গ্রাহক হয় এবং আপনি যদি তাদের কাছে বড় আকারের ডেটা পাঠান, তাহলে BDIX VPS-এর যুক্তি আছে। নিচের কাজগুলো এই বর্ণনায় পড়ে।

  • স্থানীয় দর্শকের ফাইল ও মিডিয়া সার্ভার। একটা Jellyfin বা Nextcloud ইনস্ট্যান্স, যেখান থেকে দেশের ভেতরের মানুষ বড় ফাইল টানে। এখানে প্রতি গ্রাহকের ডাউনলোড গতি সরাসরি তার প্যাকেজের BDIX অংশের ওপর নির্ভর করে।
  • দেশের ভেতরে বিতরণ করা বড় ডাউনলোড। সফটওয়্যার আপডেট, ইনস্টলার, ক্লাসের ভিডিও, প্রতিষ্ঠানের আর্কাইভ। এগুলোর ভলিউম বেশি, তাই ট্রাফিকের দামের পার্থক্যটা এখানেই সবচেয়ে বড় হয়ে দেখা দেয়।
  • স্থানীয় খেলোয়াড়দের গেম সার্ভার। Minecraft বা CS ধরনের সার্ভারে RTT সরাসরি খেলার অভিজ্ঞতায় লাগে। সার্ভার সাইজিং আর টিক রেটের দিকটা গেম সার্ভারের জন্য VPS বাছাই লেখায় আলাদা করে আছে।
  • ছোট কমিউনিটি বা অফিসের অভ্যন্তরীণ সার্ভিস। ইন্ট্রানেট, শেয়ার করা ড্রাইভ, স্থানীয় ব্যাকআপ টার্গেট, যেখানে ব্যবহারকারীর তালিকাটা দেশের ভেতরেই সীমিত।

এই চারটার মধ্যে যা মিল, সেটা হলো ট্রাফিকের পরিমাণ আর দর্শকের অবস্থান। ছোট ছোট API কল বা একটা হালকা ওয়েবসাইটের জন্য পার্থক্যটা মানুষ টের পায় না, কারণ সেখানে ডেটার পরিমাণ এত কম যে গতি নয়, শুধু RTT-টাই গোনে।

কখন BDIX VPS নয়, সাধারণ আন্তর্জাতিক VPS

  • আপনার দর্শক দেশের বাইরে। একটা BDIX-কেন্দ্রিক নেটওয়ার্কের আন্তর্জাতিক পথটা তার প্রধান পণ্য নয়, তাই বাইরের ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছানোর মানটা অনিশ্চিত হয়ে যায়।
  • অ্যাপটা সারাক্ষণ বিদেশি API-এর সঙ্গে কথা বলে। পেমেন্ট গেটওয়ে, অবজেক্ট স্টোরেজ, মডেল API, ম্যাপ সার্ভিস। প্রতি রিকোয়েস্টে যদি দুই বা তিনবার বিদেশি API ডাকতে হয়, তাহলে প্রতিটা ডাক সমুদ্র পার হয়ে যায় আর ফেরে। ব্যবহারকারীর কাছাকাছি থাকার যে লাভ, সেটা ওই অপেক্ষার মধ্যেই মুছে যায়।
  • আপটাইম যেখানে শেষ প্রান্তের লেটেন্সির চেয়ে বেশি জরুরি। এখানে প্রশ্ন করার জিনিস হলো আপস্ট্রিম কয়টা, ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ আর জেনারেটরের ব্যবস্থা কী, আর একটা লিংক পড়ে গেলে কী হয়।
  • সার্ভারটা মূলত অন্য সার্ভারের সঙ্গে কথা বলে, মানুষের সঙ্গে নয়। বিল্ড রানার, ক্রলার, ব্যাকআপ কপি, ডেটা পাইপলাইন। এদের কাছে দেশের ভেতরে থাকার কোনো দাম নেই।

আপনার কাজটা কোন দলে পড়ে সেটা যদি এখনো পরিষ্কার না হয়, কখন সত্যিই একটা VPS দরকার হয় লেখাটা একই প্রশ্নটা আরও গোড়া থেকে করে।

নিজে মেপে দেখুন, স্ক্রিনশটে বিশ্বাস করবেন না

প্রোভাইডারের দেওয়া স্পিড টেস্টের ছবি আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয় না, কারণ সেটা তাদের নেটওয়ার্ক থেকে নেওয়া, আপনার ISP-এর লাইন থেকে নয়। ট্রায়াল বা অন্তত একটা টেস্ট IP চেয়ে নিন, তারপর নিজের বাসার সংযোগ থেকে চালান। সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে চালান, কারণ ওভারসাবস্ক্রিপশন থাকলে সেটা ঠিক তখনই দেখা যায়।

sudo apt update && sudo apt install -y mtr-tiny traceroute iperf3
ping -c 20 203.0.113.10
mtr -r -z -c 50 203.0.113.10
traceroute -A 203.0.113.10

ping থেকে তিনটা জিনিস পড়ুন: গড় সময়, সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে ছোট সময়ের ফারাক, আর প্যাকেট লস। শেষ লাইনে 0% packet loss না থাকলে বাকি সব সংখ্যা অর্থহীন। mtr -z প্রতিটা হপের পাশে AS নম্বর দেখায়, অর্থাৎ ওই রাউটারটা কার নেটওয়ার্কের। পথটা যদি দেশের ভেতরেই থাকে, হপের সংখ্যা কম হয় আর AS নম্বরগুলো স্থানীয় নেটওয়ার্কের। পথ যদি বাইরে যায়, হোস্টনেমে শহরের সংক্ষিপ্ত নাম ভেসে ওঠে, যেমন sin, hkg বা sg, আর তখন সার্ভারটা BDIX-এ আছে কি না সেই দাবিটা প্রশ্নের মুখে পড়ে।

গতি মাপতে হলে দুই প্রান্তে iperf3 চালান, সার্ভারে iperf3 -s আর নিজের মেশিনে iperf3 -c 203.0.113.10 -P 4 -t 30। একটা HTTP ডাউনলোডের বাস্তব অভিজ্ঞতা দেখতে চাইলে সার্ভারে একটা টেস্ট ফাইল রেখে এটা চালান।

curl -s -o /dev/null -w 'ttfb=%{time_starttransfer}s total=%{time_total}s bytes_per_sec=%{speed_download}\n' http://203.0.113.10/test.bin
curl -6 -s https://icanhazip.com

দ্বিতীয় কমান্ডটা IPv6 যাচাইয়ের সবচেয়ে সোজা উপায়। সার্ভারে চালালে যদি একটা IPv6 ঠিকানা ফিরে আসে, IPv6 সত্যিই কাজ করছে। যদি curl: (7) ধরনের কানেকশন ব্যর্থতা আসে, তাহলে প্যানেলে IPv6 লেখা থাকলেও রাউটিংটা নেই।

কেনার আগে প্রোভাইডারকে যে প্রশ্নগুলো করবেন

এগুলো অভিযোগ নয়, প্রশ্ন। টিকিটে বা ইমেইলে করুন, যাতে উত্তরটা লিখিত থাকে। উত্তর এড়িয়ে যাওয়া নিজেই একটা উত্তর।

  • আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ কতটুকু, আর সেটা BDIX ব্যান্ডউইথ থেকে আলাদা করে কীভাবে মাপা হয়? এই দুটো এক জিনিস নয়। অনেক প্যাকেজে BDIX অংশটা বড় আর আন্তর্জাতিক অংশটা অনেক ছোট, তাই আপনার সার্ভার বাইরে থেকে কিছু টানতে গেলে সেটাই বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
  • আপলিংক পোর্ট কত, আর সেটা কতজনের মধ্যে ভাগ হয়? অর্থাৎ কনটেনশন বা ওভারসাবস্ক্রিপশনের অনুপাত কী। নির্দিষ্ট সংখ্যা না দিলে অন্তত জিজ্ঞাসা করুন ব্যস্ত সময়ে কী নিশ্চয়তা আছে।
  • IPv6 দেওয়া হয় কি না, আর দিলে কত বড় ব্লক? উপরের curl -6 দিয়ে যাচাই করে নিন, প্যানেলের চেকবক্স যথেষ্ট প্রমাণ নয়।
  • দাম কি BDT-তে নির্ধারিত, নাকি ডলারে রূপান্তর করা? নবায়নের সময় একই দাম থাকে কি না, আর পরিশোধের পদ্ধতি কী। প্রথম মাসের ছাড়ের দাম আর দ্বিতীয় বছরের দাম এক না হওয়াটা খুব সাধারণ ঘটনা, আর সস্তা VPS অফার কীভাবে পড়তে হয় সেখানেই কাজে লাগে।
  • সার্ভারটা ভৌতভাবে কোন ডেটা সেন্টারে? কিছু অফারে শুধু রাউটিং স্থানীয়, মেশিন বাইরে। mtr এর পথ আর দায়িত্বশীল উত্তর, দুটোই মিলিয়ে দেখুন।
  • ব্যাকআপ, স্ন্যাপশট আর সেগুলো নামিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা আছে কি না, আর সাপোর্ট কোন সময়ে পাওয়া যায়।

দামের হিসাবটা যদি আন্তর্জাতিক অপশনের পাশে রেখে তুলনা করতে চান, একটা VPS-এর খরচ আসলে কোথায় কোথায় লেখাটা সেই ছকটা দেয়।

প্রোভাইডার হারিয়ে গেলে ডেটার কী হবে

উত্তরটা নির্মম রকমের সহজ: যার কপি অন্য কোথাও আছে, সেটুকুই থাকবে। ছোট বাজারের প্রোভাইডার বন্ধ হয়ে যেতে পারে, আর তখন সাপোর্ট টিকিটের উত্তর আসে না। তাই ব্যাকআপ সার্ভারের ভেতরে রাখা যাবে না, বাইরে টেনে আনতে হবে।

sudo tar czf /var/backups/app-$(date +%F).tgz -C /srv app
rsync -az --delete /var/backups/ user@backup.example.com:/srv/backups/bdix/

এটা একটা cron বা systemd timer-এ বসিয়ে দিন, আর মাসে একবার সত্যিই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে দেখুন। যে ব্যাকআপ কখনো restore করে দেখা হয়নি, সেটা ব্যাকআপ নয়, একটা অনুমান। ডোমেইন আর DNS যদি অন্য কোথাও থাকে, তাহলে প্রোভাইডার বদলানোর দিন কাজটা ঘণ্টার হয়, সপ্তাহের নয়।

অনেক সময় সেরা উত্তর হলো দুটো সার্ভার

একটা বাছাই করতেই হবে, এমন নয়। খুব সাধারণ একটা বিন্যাস হলো অ্যাপ আর ডেটাবেস একটা আন্তর্জাতিক VPS-এ, আর স্থানীয় দর্শকের জন্য বড় ফাইলগুলোর একটা মিরর দেশের ভেতরের বক্সে। বিদেশি API-এর সঙ্গে কথা বলাটা তখন আন্তর্জাতিক বক্স সামলায়, আর ভারী ডাউনলোডগুলো BDIX জোন থেকে যায়। দুটো বক্সের মধ্যে একটা প্রাইভেট টানেল বানানোর ধাপগুলো দুই প্রোভাইডারের দুটো VPS জুড়ে দেওয়া লেখায় আছে, আর মিররটা সোজা rsync দিয়েই চলে।

আন্তর্জাতিক প্রোভাইডাররা BDIX VPS বিক্রি করে না

পরিষ্কার করে বলা দরকার: BDIX-এ পিয়ার করা VPS একটা বাংলাদেশি প্রোভাইডারের পণ্য। SSD Nodes সহ আন্তর্জাতিক প্রোভাইডাররা এটা বিক্রি করে না, কারণ তাদের নেটওয়ার্ক ওই এক্সচেঞ্জে বসে নেই। তাই যদি BDIX জোনের ভেতরে থাকাটাই আপনার মূল চাহিদা হয়, দেশি প্রোভাইডারই একমাত্র পথ, আর উপরের প্রশ্নগুলো নিয়েই তাদের কাছে যান। আর যদি আপনার আসল চাহিদা হয় স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক সংযোগ, অনুমানযোগ্য দাম আর বড় আপস্ট্রিম, তাহলে সাধারণ VPS-ই আপনার পণ্য, আর BDIX শব্দটা আপনার সিদ্ধান্তে কিছু যোগ করে না।

সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

BDIX VPS কি সাধারণ VPS-এর চেয়ে দ্রুত?

কার কাছে, সেটার ওপর নির্ভর করে। দেশের ISP-এর একজন গ্রাহকের কাছে পথটা ছোট হয়, তাই RTT কমে, আর তার প্যাকেজে BDIX জোনের গতি বেশি হলে ডাউনলোডও দ্রুত হয়। দেশের বাইরের একজন ব্যবহারকারীর কাছে উল্টোটা ঘটে। সার্ভারের CPU, RAM বা ডিস্কের গতিতে BDIX-এর কোনো ভূমিকা নেই, কারণ এটা নিছক একটা নেটওয়ার্ক পথ। যে সংযোগ থেকে আপনার ব্যবহারকারীরা আসবে, ঠিক সেখান থেকে mtr -r -z -c 50 <ip> চালিয়ে নিজে দেখে নিন।

BDIX VPS দিয়ে কি আমার ISP-এর আন্তর্জাতিক লিমিট এড়ানো যাবে?

না। আপনার বাসার লাইন থেকে সার্ভার পর্যন্ত অংশটা BDIX জোনে পড়ে ঠিকই, কিন্তু সার্ভারটা যখন বিদেশ থেকে কিছু নামায় তখন সেটা প্রোভাইডারের আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ খরচ করে। সেই পুলটা আলাদা, বরাদ্দ করা এবং সাধারণত অনেক ছোট, তাই বাধাটা জায়গা বদলায় মাত্র, মুছে যায় না। প্রোভাইডারের শর্তাবলিতে এ নিয়ে কী লেখা আছে সেটাও কেনার আগে পড়ে নিন।

সার্ভারটা সত্যিই BDIX-এ পিয়ার করা কি না, কীভাবে যাচাই করব?

নিজের ISP-এর সংযোগ থেকে mtr -r -z -c 50 <server-ip> চালান আর হপগুলোর AS নম্বর দেখুন। পথ দেশের ভেতরে থাকলে হপ কম হয় এবং AS নম্বরগুলো স্থানীয় নেটওয়ার্কের। পথ বাইরে গেলে মাঝের হোস্টনেমে sin, hkg বা sg ধরনের শহরের কোড দেখা যায়। পরীক্ষাটা সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে করুন, এবং তার আগে প্রোভাইডারের কাছে একটা টেস্ট IP বা ট্রায়াল চেয়ে নিন।

প্রোভাইডার বন্ধ হয়ে গেলে আমার ডেটার কী হবে?

অন্য কোথাও যার কপি আছে, শুধু সেটুকুই টিকে থাকবে। সার্ভারের ভেতরে রাখা স্ন্যাপশট প্রোভাইডারের সঙ্গেই চলে যায়, তাই tar আর rsync দিয়ে নিয়মিত ব্যাকআপ অন্য কোনো প্রোভাইডারের মেশিনে বা নিজের কাছে টেনে আনুন। মাসে একবার সেই ব্যাকআপ থেকে restore করে দেখুন, নাহলে জানা যায় না কপিটা আসলে কাজ করে কি না। DNS আর ডোমেইন আলাদা জায়গায় রাখলে সরে যাওয়ার দিনটা অনেক সহজ হয়।